বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় সমূহঃ কিছু শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে বিতর্ক থেকে দূরে সরে যান, ভয় পান যে এটি খুব প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে। কিন্তু বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা ও রক্ষা করা শেখা শিক্ষার্থী দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবন দক্ষতা। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে, পছন্দ করতে এবং আবেগের পরিবর্তে বাস্তবতার ব্যবহার করে কার্যকরভাবে তর্ক করতে শেখায়। অনুপ্রেরণার জন্য আপনি এই তালিকায় প্রচুর আকর্ষক বিতর্কের বিষয় পাবেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাকঃ আরও দেখুনঃ সামাজিক কার্যক্রম কি | সমাজকর্ম

Google News
বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় সমূহ

আরও দেখুনঃ বিতর্ক প্রতিযোগিতার স্ক্রিপ্ট লেখার নিয়ম

আরও দেখুনঃ বিতর্ক প্রতিযোগিতার উপকারিতা

আরও দেখুনঃ বিতর্ক প্রতিযোগিতার নিয়ম

বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় সমূহ

বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় শিক্ষা

  • শিক্ষক রাজনীতি শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ অস্থিশীল করে তুলছে।
  • ছাত্র রাজীতি প্রজন্মের বিকাশের জন্য সহায়ক।
  • কোচিং প্রথা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাঙ্গন বিমুখ করে তুলছে।
  • গাইডবুক আইন করে নিষিদ্ধ করা উচিৎ।
  • শিক্ষাঙ্গনের প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর করে তুলছে।
  • প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের মানসিকতায় নতুনত্ব আনতে ব্যর্থ।
  • একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা ব্যতীত শিক্ষা অধিকার নিশ্চিত সম্ভব নয়।
  • বহুমুখী শিক্ষাব্যবস্থা বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা।
  • আইন করে শিক্ষার্থীদের শাস্তি প্রথা বন্ধ করা হোক।
  • প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানক্ষুধা সীমিত করে তুলেছে।
  • প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা জ্বেলেছে আলো কিন্তু হ্রাস করেছে ঔজ্জ্বল্য।   
  • কম্পিউটারের মনিটর নয় প্রয়োজন লাইব্রেরীর ধুলো পড়া বই-এর।

আরও দেখুনঃ সেলস এন্ড মার্কেটিং জব ইন্টারভিউ | ইন্টারভিউর প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দেবেন

মানবাধিকার

  • সামরিকন্ত্রই মানবাধিকারের প্রধান শত্রু।
  • সাংবাদিকের অধিকার গণতন্ত্রের প্রথম অধিকার।
  • সৃজনশীলতার প্রধান সহায়ক অধিকার বোধ।
  • মূর্খের গণতন্ত্রে মানবাধিকার সম্পূর্ণ অর্থহীন।
  • আগে অধিকার, তারপর কর্ম।
  • জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার সনদে পরিবর্তন আনা উচিত।
  • অধিকার চেতনা প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার চেয়ে নেতৃত্বের ভূমিকা বেশি।
  • আইনের চেয়ে অধিকার শ্রেষ্ঠতর।
  • যত বেশি আইন তত বেশি অপরাধ।
  • শিশু অধিকার নাগরিক অধিকারের পূর্বশর্ত।
  • ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান মানবাধিকারের প্রধান হুমকি।
  • শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড মানবাধিকারের লংঘন।
  • অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হচ্ছে, সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।
  • আমাদের নাগরিক জীবনে কর্তব্য বেশি, অধিকার কম।
  • দরিদ্র বিশ্বে শিশুশ্রমের অধিকার দেয়া উচিত।
  • সমালোচনার ক্ষমতাহীনতায় বাংলাদেশের আমলাবৃন্দ মানবাধিকার বর্জিত।
  • কৃষিতে ভর্তূকী কমানো কৃষকদের মানবাধিকারের স্পষ্ট লংঘন।
  • যুক্তরাষ্ট্রই মানবাধিকারের মূখ্য হন্তায়ক।
  • সংখ্যালঘূদের জন্য কোন বিশেষ অধিকার থাকা উচিত নয়।
  • তিরিশ নিম্ন বয়সে অধিকার সীমিত থাকা উচিত।
  • সীমান্তরেখা সঠিক মানবাধিকারকে শৃঙ্খলিত করেছে।
  • রাজনৈতিক অধীনতার চেয়ে সাংস্কৃতিক অধীনতা অধিক ক্ষতিকর।
  • সেন্সর প্রথা শিল্পীর ন্যায্য অধিকার ক্ষুন্ম করে।
  • সার্বজনীন মানবাধিকার বলতে কিছু থাকতে পারে না।
  • জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ সংগঠন।
  • মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ ক্ষমতা আইন বাতিল হওয়া জরুরী।
  • সংকট এখন সুযোগের নয়, অধিকার বোধের।
  • অধিকার চেতনার অভাবই নারী অনগ্রসরতার মূল কারণ।
  • মানবাধিকারের রূপরেখা দেশ ভেদে ভিন্ন হওয়া উচিত।
  • বিস্তৃত মানবাধিকারের অভাবেই দেশের গণতন্ত্র বিপর্যস্ত।
  • রাষ্ট্রীয় অবিচারের জন্য মূলত প্রশাসনই দায়ী।
  • অর্থের সংকট মানবাধিকারের দাবীকে নিরর্থক করেছে।

অর্থনীতি

  • অর্থ নয় নীতির ঘাটতি  জাতীয় অর্থনীতিতে বাজেটের কার্যকর প্রতিফলনের প্রধান অন্তরায়।
  • মুক্ত বাজার অর্থনীতির জন্য তৃতীয় বিশ্ব এখনো উপযুক্ত হয়ে উঠতে পারেনি।
  • জাতীয় অনৈক্য বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে পরাধীন করে রেখেছে।
  • জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মানসিকতা-ই বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটকে ত্বরান্বিত করছে।
  • তৃতীয় বিশ্বের জন্য বিশ্বব্যাংকের নীতিমালা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া আবশ্যক।
  • প্রাক বাজেট আলোচনা নয়, প্রয়োজন প্রাক বাজেট জাতীয় বিতর্ক।
  • orrthonOIঅর্থনৈতিক পরাধীনতা দেশকে মেধাশুন্য করে তোলে।
  • মানহীনতা নয় বরং মানসিকতার অভাবেই স্বদেশী পণ্য আজ অবহেলিত।
  • পুজিবাদী নয় বরং সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই আগামীর বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রন করবে।
  • ইউরোজোন সংকট নিরসনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ।
  • জাতীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারের অভাব দেশের অর্থিনীতিকে আমদানীনির্ভর করে তুলছে।
  • পররাষ্ট্রনীতির দূর্বলতার জন্য বাংলাদেশ মুক্তবাজার অর্থনীতির সুফল হতে বঞ্চিত।
  • ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
  • অপর্যাপ্ত ক্ষমতার কারণেই বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রন করতে পারছেনা।   
  • প্রচলিত আইনের সংশোধন নয় বরং সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমেই ব্যাংক খাতের দূর্নীতি রোধ সম্ভব।
  • মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাবে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি আজ বিপর্যস্ত।

আরও দেখুনঃ সেলস এন্ড মার্কেটিং কি | সেলস এবং মার্কেটিং এর মধ্যে পার্থক্য | Sales and Marketing

স্বাস্থ্য

  • সামাজিক সচেতনতার অভাবেই জনগনের স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।
  • স্বাস্থ্য অধিকার আইনের শৈথিল্যতাই কার্যকর স্বাস্থ্য সেবার পথে প্রধান অন্তরায়।
  • সংকট স্বাস্থ্যসেবার নয় বরং স্বাস্থ্যসচেতনতার।
  • সুশাসনের অভাব স্বাস্থ্যখাতের দূরাবস্থার মূল কারণ।
  • অপর্যাপ্ত নয় বরং বাজেটের সঠিক ব্যবহারের অভাব-ই দেশের স্বাস্থ্য খাতের দূরাবস্থার মূল কারণ।
  • বর্তমান প্রজন্ম ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য সচেতন হবার পরিবর্তে স্বাস্থ্য বিলাসী হয়ে পড়ছে।
  • সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে স্বাস্থ্যনীতির আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবী।
  • বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা তরুণ প্রজন্মকে স্বাস্থ্য অধিকার সচেতন করে তুলতে যথেষ্ট নয়
  • বাজেটে বরাদ্ধ বৃদ্ধি নয়, বরং জনসচেতনতাই পারে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ।
  • ধূমপান নিরোধে রাষ্ট্রীয় আইনই মুখ্য।
  • আগামি সংকট ক্ষুধার নয়, সুস্বাস্থ্যের।
  • তৃত্বীয় বিশ্বের অধিক জনসংখ্যাই স্বাস্থ্য সমস্যার মুল কারণ।
  • ঔষধ নির্ভরশীলতা নয় বরং জনসচেতনতাই পারে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে।
  • জনসচেতনতাই পারে অবৈধ ব্লাড ব্যাংক নির্মূল করতে।
  • থ্যালাসেমিয়া রোধে চিকিৎসা নয়, পূর্ব সচেতনতাই মুখ্য।
  • রক্তের বাণিজ্যিকিকরণই রক্ত প্রাপ্তির দুর্লভতার মূল কারণ।

তথ্য ও প্রযুক্তি

লাগসই প্রযুক্তির চেয়ে টেকসই প্রযুক্তিই আমাদের অধিক প্রয়োজন

তথ্যপ্রযুক্তি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প ব্যবস্থার উন্নয়নই আমাদের বেশি প্রয়োজন

বেসরকারিকরণই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির একমাত্র উপায়

কপিরাইট আইনের দুর্বলতাই সফটওয়্যার শিল্প বিকাশের প্রধান বাঁধা

তথ্যপ্রযুক্তিই সাম্রাজ্যবাদীদের প্রধান হাতিয়ার

দারিদ্র্য বিমোচন নয়, তথ্যপ্রযুক্তির উত্তরণই বর্তমান শতকের প্রধান চ্যালেঞ্জ

লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যতীত জাতীয় উন্নয়নের চিন্তা অসম্ভব

এই মুহূর্তে প্রযুক্তির অধিক ব্যবহারই অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারে

দক্ষ জনশক্তি নয় বরং সক্ষম উদ্যোক্তার অভাবেই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমরা পশ্চাৎপদ

তথ্যপ্রযুক্তিই বাংলাদেশের একমাত্র অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

তথ্যপ্রযুক্তির উত্তরণ নবীন-প্রবীন এর দ্বন্দ্বকে প্রকট করে তুলবে

তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য

প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্যই বর্তমানে উন্নতির মূল মানদণ্ড

বর্তমান সামাজিক পরিবর্তন মূলত প্রযুক্তি নির্ভর

প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাই কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে

পারমাণবিক গবেষণার অধিকার উন্মুক্ত করে দেয়া উচিৎ

তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশই মানুষকে সাহিত্যবিমুখ করেছে

তথ্যপ্রযুক্তি নব্য সাম্রাজ্যবাদের প্রধান হাতিয়ার

বিজ্ঞানের বড় বড় আবিষ্কারগুলো সভ্যতাকে হুমকীর সম্মুখীন করছে

বিজ্ঞান মনস্কতার অভাবই গ্রামীণ অনুন্নয়নের প্রধান কারণ

পরিবেশ

  • রাষ্ট্রীয় আইনই হতে পারে পরিবেশের সবচেয়ে বড় রক্ষা কবচ।
  • তৃতীয় বিশ্বের জনসংখ্যাই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য প্রধানতঃ দায়ী।
  • জনগণের অসচেতনতাই পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী।
  • সামাজিক আন্দোলনই পারে বাংলাদেশকে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে।
  • নদী দূষণই বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।
  • আগামী সংকট পরিবেশের নয় ক্ষুধার।
  • কার্বণ নিঃসরণই নগরীর পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী।
  • শিল্পোন্নত বিশ্বের আগ্রাসী মনোভাবই পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রধান করাণ।
  • অপরিকল্পিত নগরায়নই পরিবেশের স্বাভাবিক চক্র বিনষ্ট করছে।
  • সভ্যতার অতি আধুনিকায়নই বিশ্ব উষনায়নের জন্য দায়ী।
  • পরিবেশ দূষণ রোধে জাতিসংঘ আজ অনেকটাই ব্যর্থ।
  • জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতাই পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।
  • পরিবেশ সংরক্ষণে প্রতিক্রিয়ামূলক পদক্ষেপ নয় বরং সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বেশি জরুরী।
  • তৃতীয় বিশ্বের জনসংখ্যাই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী ।
  • শিল্পোন্নত বিশ্বের আগ্রাসী মনোভাবই পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ ।
  • নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ই পরিবেশের বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী ।
  • ভারসাম্যহীন পরিবেশই সৃষ্টি করে ভারসাম্যহীন অর্থনীতি ।
  • খাদ্যে বিষক্রিয়া অপরিকল্পিত নগরায়নের ফসল ।
  • পরিবেশ দূষণই জাতীয় অগ্রগতির পথে প্রধান অন্তরায়।
  • রাষ্ট্র সমূহের উদ্যোগ নয়, সামাজিক আন্দোলনই পারে পরিবেশ দূষণ রোধ করতে ।
  • পরিবেশ সংরক্ষণে প্রতিক্রিয়ামূলক পদক্ষেপ নয় বরং প্রয়োজন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।
  • দক্ষ প্রশাসনই পারে দূষণমুক্ত নগরী গড়তে ।
  • ভবিষ্যৎ পৃথিবীর লক্ষ্য পরিবেশ দূষণ রোধ নয়, পরিবেশ বিশুদ্ধকরন।
  • আগামীর সংকট ক্ষুধার নয়, পরিবেশের।
  • ফিরিয়ে দাও অরণ্য, লও এ স্বাধীনতা।

বাংলা বিতর্কের বিষয় : খাদ্যনিরাপত্তা

১.    ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধিই খাদ্য নিরাপত্তার প্রধান হুমকি।

২.    খাদ্য নিরাপত্তা তৃতীয় বিশ্বের জন্য কেবলি স্লোগান।

৩.    প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই পারে আমাদের খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

৪.    বীজের শিল্পায়ন কৃষি উৎপাদন ব্যহত করবে।

৫.    খাদ্য নিরাপত্তা হীনতা বিশ্বরাজনীতিরই ফলাফল।

৬.    শুধু মাত্র সঠিক বণ্টন ব্যবস্থাই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

৭.    জনসচেতনতাই পারে পুষ্টি হীনতা দূর করতে।

৮.    বহুমূখী কৃষি উৎপাদনই কৃষকের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করতে পারে।

৯. দরিদ্রতা দূরিকরন নয় পরিবেশ রক্ষাই এই শতকের বড় চেলেঞ্জ।

১০.  অধিক উৎপদনই পারে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রন করতে।

১১. খাদ্যের সমণ্টন নিশ্চিত করা গেলেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

১২.  রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না।

১৩.  জমিতে কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠাই খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্নতা দিতে পারে।

১৪.  শিল্পায়ন কৃষিকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

১৫.  উৎপাদন ঘাটতি নয়, অধিক মুনাফার লোভই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথে বড় বাঁধা।

১৬. সুপেয় পানির সংকট পৃথিবীকে আর একটি বিশ্ব যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিবে।

১৭. খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খাদ্য বিষয়ক বিশ্ব সংস্থা গুলোর স্বার্থের পরিপন্থি।

অর্থনীতি:

সব উন্নয়নের গতকাল ছিল শোষণ

সম্পদের অভাব নয়, অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের প্রধান সমস্যা

দুর্বল শিল্পায়নের জন্য আমাদের অর্থনৈতিক সংকটই মূলত দায়ী

আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বাজার ব্যবস্থার সংস্কার অত্যাবশ্যক

অর্থনীতিই সময়কে নিয়ন্ত্রণ করে

সকল সংগ্রামের মূল কারণ অর্থনীতিতে নিহিত

অর্থনৈতিক মুক্তিই সন্ত্রাস নির্মূলের উপায়

ক্রমবর্ধমান সামাজিক সন্ত্রাসের কারণ রাজনৈতিক নয় অর্থনৈতিক

বিশ্বায়ন জাতীয় উন্নয়ন পরিপন্থী

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বিশ্বায়ন আদতে কোন সুফল বয়ে আনতে পারবে না

অর্থনৈতিক যুদ্ধ সামরিক যুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ

পণ্যের বিজ্ঞাপনে পণ্য নারী বাজার অর্থনীতির উপহার

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে দুর্বল করছে

সিন্ডিকেটই দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির মূল কারণ

অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠার জন্য গণতন্ত্রের চর্চা মুখ্য নয়

পরনির্ভর অর্থনীতিই টেকসই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে

স্বদেশী পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধিতে মানহীনতা নয় মানসিকতাই প্রধান অন্তরায়

ক্ষুদ্রঋণ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সুফলের চেয়ে অধিক কুফল বয়ে এনেছে

অর্থনৈতিক শৃঙ্খল মননশীলতা বিকাশের পথে অন্তরায়

চীনের মুক্তবাজার সাফল্য আমাদের জন্য অনুকরণীয়

গ্যাস রপ্তানী আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে

এশিয়া নয় , ইউরোপ ।

পুর্ব এশিয়ার প্রবিদ্ধি বিস্বকে নেতিত্ব দিবে।

আফ্রিকার চেয়ে এশিয়া অধিক অন্ধকারাছান্ন।

ভাববাদ এশিয়ার পিছিয়ে থাকার মুল কারন।

এসিয়াই পারে পৃথিবীকে বদলে দিতে।

প্রাক ব্রিটিশ ভারতের উৎপাদনকে সামন্তবাদ না বলে এশিয়াটিক উৎপাদন পদ্ধতি বলা উচিৎ

রাজনীতিঃ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি ব্যর্থ ধারণা

নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মতামত প্রতিফলিত হয় না

দুর্বল গণতন্ত্রের চেয়ে শক্তিশালী একনায়কতন্ত্রই তৃতীয় বিশ্বের জন্য গ্রহণযোগ্য

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে আর কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই

স্বাধীন নির্বাচন কমিশন থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই

শক্তিশালী অর্থনীতি গণতান্ত্রিক সাফল্যের পূর্বশর্ত

বিপথগামী গণতন্ত্রের চেয়ে একনায়কতন্ত্র শ্রেয়

প্রশাসন নয়, প্রার্থীরা পারে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি

রাজনীতিই বাংলাদেশের মানুষের অবনতির মূল কারণ

রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিরসনে সুশীল সমাজ কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে

আমরা ১১ই জানুয়ারীর জন্য অনুতপ্ত

দারিদ্র্যই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের প্রধান কারণ

সকল ক্ষেত্রে কোটা প্রথা নিষিদ্ধ করা উচিত

সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন থাকা উচিত নয়

সংস্কার একটি ধারণা মাত্র

সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ঃ

  • রাষ্ট্র ক্রমশ ভ্রষ্ট হচ্ছে।
  • রাজনৈতিক দূরবৃত্তায়নই আমাদের দেশকে বেশি অস্থিতিশীল করছে।
  • রাজনিতিকেরা জননেতা নয়, অভিনেতা। 
  • বাজার অর্থনীতিতে নারী জাগরণ প্রকারান্তে হরণ । 
  • আমরা এখনো রবীন্দ্রনাথেই আবদ্ধ।
  • আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসে আইএস আলকায়দার চেয়েও ভয়াবহ হবে।
  • আমরা যতটা সঙ্কটে তার চেয়ে বেশি সংকীর্ণতায়।
  • যৌন সন্ত্রাস প্রতিরোধে সমাজ আন্তরিক নয়।
  • দাসের রাজার ত্রাসেই আবাস।
  • ৭১ একটি অসমাপ্ত যুদ্ধ ।
  • সম্পদের অপ্রতুলতা নয়, দুর্নীতিই আমাদের উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধকতা ।
  • আমাদের সিক্ষাব্যবস্থা চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ।
  • ছাত্র রাজনীতি প্রজন্মের বিকাশে সহায়ক।
  • মানহীনতায় নয় মানসিকতায়ই স্বদেশী পণ্য আজ অবহেলিত
  • দুর্নীতি রোধে সরকার অপেক্ষা গণমাধ্যম বেশি কার্যকর ।
  • নির্বাচন কমিশন আজ শুধুই সাংবিধানিক কাগুজে ধারণা।
  • ইতিহাসে নারী কেবল ব্যবহৃত হয়েছে, ক্ষমতায়িত হয়নি।
  • প্রাচ্যে পারিবারিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে নারীর ভুমিকাই অগ্রগন্য।
  • অচিরেই বিশ্বে সমাজতন্ত্র ফিরে আসবে।
  • মানবাধিকার আজ আপেক্ষিক।
  • তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা উচিত নয়।
  • আগামীর বাংলাদেশের প্রধান হুমকি মৌলবাদ।
  • অর্থনীতিই সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করে।
  • চীনের মুক্তবাজার সাফল্য আমাদের অনুকরণীয় নয়।
  • আমাদের গণতন্ত্র গন-অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে।
  • একুশ শতকেও নারী নাড়ির হবে না।
  • চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যম সফল।
  • মানবাধিকার কমিশন একটি শ্বেতহস্তী।
  • বংশানুক্রমিক উত্তরাধিকারের মানসিকতাই উপমহাদেশীয় রাজনীতির প্রধান অন্তরায়
  • মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সাহিত্যকে তেমন ভাবে রাঙাতে পারে নি।
  • বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমানের করার প্রয়াসে সরকার উদাসীন।
  • শিক্ষার বিকাশে রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন আবশ্যক
  • শিক্ষক রাজনীতি নিশিদ্ধ করা হোক
  • গন মাধ্যমে টক শো নিষিদ্ধ করা উচিত
  • বাংলাদেশে ফেডারেল শাসন জুরুরি।
  • আস্তিকতা আমাদের পশ্চাৎপদ করছে
  • মধ্যপ্রাচ্য স্থিতিশীল হওয়ার পথে।
  • প্রতীচ্যের বর্তমান প্রাচ্যের আগামী
  • আমাদের সাহিত্যে কোন উপযুক্ত নায়ক চরিত্র নেই
  • বাংলাদেশে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ চালু করা প্রয়োজন।
  • যুক্তরাষ্ট্র একটি বন্ধু বতসল রাষ্ট্র।
  • ফেসবুক ক্ষতিকারক ।
  • নারীবাদ পারিবারিক সম্প্রিতির হন্তারক।
  • আমরা সবাই রাজা।
  • সেন্সর প্রথা চলচ্চিত্রের অগ্রজাত্রাকে ব্যাহত করছে।
  • নারী শব্দটি নারী উন্নয়নের প্রধান বাঁধা।
  • রাজনীতিই সন্ত্রাসের প্রধান মদদ দাতা।
  • নির্বাচনই গনতন্তের মুখ্য হাতিয়ার।
  • স্বপ্নের বেড়াজালে ছিন্ন স্বদেশ ।
  • সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থা নারী ক্ষমতায়নের মূল অন্তরায়।
  • The world is not enough
  • Tomorrow never dies
  • Killing them softly 

মজার এবং মজার বিতর্কের বিষয়

  • কুকুর বিড়ালের চেয়ে ভালো পোষা প্রাণী।
  • শীতের চেয়ে গ্রীষ্মকাল ভালো।
  • পেপারনি সেরা পিজ্জা টপিং।
  • ক্লাউনরা মজার চেয়ে বেশি ভীতিকর।
  • আধুনিক সঙ্গীত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের চেয়ে ভালো।
  • অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার চেয়ে উড়তে পারা ভালো।
  • প্লুটোকে এখনও একটি গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা উচিত।
  • আমাদের উচিত মানুষকে খালি পায়ে কোথাও যেতে দেওয়া যদি তারা চায়।
  • নন-ফিকশন থেকে ফিকশন ভালো।
  • লোকেদের তাদের জন্মদিনে স্কুলে যেতে বা কাজ করতে হবে না।

বিনোদন এবং প্রযুক্তি বিতর্ক বিষয়

  • রিয়েলিটি টেলিভিশন বাস্তব জীবন চিত্রিত করে।
  • স্কুলের উচিত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া।
  • Macs পিসি থেকে ভাল.
  • অ্যান্ড্রয়েড আইফোনের চেয়ে ভালো।
  • সোশ্যাল মিডিয়া আসলে আমাদের কম সামাজিক করে তুলছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া ভালোর চেয়ে বেশি ক্ষতি করে।
  • ভিডিও গেম বোর্ড গেমের চেয়ে ভালো।
  • ভিডিও গেমিং একটি খেলা।
  • টিভি দেখার চেয়ে বই পড়া ভালো।
  • আমাদের সমস্ত কাগজের নথিকে ইলেকট্রনিক সংস্করণ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা উচিত।
  • বই সবসময় সিনেমার চেয়ে ভালো।
  • অভিভাবকদের উচিত তাদের বাচ্চাদের সেল ফোন ব্যবহার করা তারা কোথায় আছে তা ট্র্যাক করতে।
  • ভিডিও গেম খেলা আপনাকে আরও স্মার্ট করে তোলে।
  • বিজ্ঞানীদের উচিত সকলের জন্য চিরকাল বেঁচে থাকার উপায় তৈরি করার চেষ্টা করা।
  • ই-বুকের চেয়ে কাগজের বই ভালো।
  • স্কুলের ক্লাসরুম এবং হলওয়েতে নজরদারি ক্যামেরা থাকা উচিত।